ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর মহান বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগরের দাতিনাখালীতে পদ্মা কাঁকড়া প্রজেক্ট এর স্বত্তাধিকারী মজিরুল ইসলাম ও পরিচালক মেহেদী হাসান, এবং জামাল হোসেন এর বিরুদ্ধে বসতভিটা উদ্ধার ও পাওনা টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৭ ফেব্রুয়ারী (সোমবার) শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন দাতিনাখালী গ্রামের আব্দুল হাকিম গাজীর স্ত্রী রাশিদা খাতুন সহ ৫ জন। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে জানান, তার দেবর আবুল বাসার এর নিকট থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার দলুয়া গ্রামের মোঃ তোফাজ্জেল হোসেনের পুত্র মোঃ মজিরুল ইসলাম, মেহেদী হাসান (পদ্মা কাঁকড়া প্রজেক্ট পরিচালক), শ্যামনগরের পানখালী গ্রামের মানিক গাজীর পুত্র মোঃ জামাল হোসেন ( অপর পরিচালক পদ্মা), কে ২০২০ ইং সালের ১লা জানুয়ারী হতে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ০৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদী মাসিক ৬ হাজার টাকা করে প্রসেসিং সেন্টার ভাড়া চুক্তিপত্র করেন। কিন্তু ভাড়া চুক্তিপত্রের শর্ত অমান্য করে ১৩ মাসের ভাড়া ৭৫ হাজার টাকা না দিয়া আরো দুই বছর চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য হুমকী দিচ্ছে। এ বিষয়ে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিকট অভিযোগ করলে চেয়ারম্যান উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে শুনানী করে আব্দুল হাকিম এর পাওনা ৮৪,৯০০/-টাকা ও তার ভাই আবুল বাসার এর পাওয়া ১ লক্ষ ১৫ হাজার ৬ শত টাকাসহ ঘর ছেড়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়ে প্রতিবেদন প্রদান করেন। এছাড়া কলবাড়ি গ্রামের আঃ মজিদ এর পুত্র মোকারম বিল্লাহ ও তার ভাই আবু বক্কর সিদ্দিক ১৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং জান্নাত এন্ড মদীনা এগ্রো ফার্ম এর স্বত্বাধিকারী আলীমউদ্দীন মান্নান ৫১লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা পদ্মা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর নিকট পাওনা রয়েছে। এর বিষয়ে অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উভয় পক্ষে শুনানি অন্তে টাকা পাইবে এমন প্রতিবেদন প্রদান করেছেন। পাওনাকৃত টাকা ও বসত ঘর নিজ মালিকানায় বুঝে পেতে সাংবাদিকদের লিখনীর মাধ্যমে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী মহল।
আপনার মতামত লিখুন