ক্ষুদ্র উদ্যোগে প্রক্রিয়াজাত মৎস্য পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর ও মান নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শ্যামনগর প্রতিনিধি: নতুন সার নীতিমালা ২০২৫ বাস্তবায়নের ফলে খুচরা সার ডিলারদের লাইসেন্স বাতিলের আশঙ্কায় সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলায় কর্মরত ডিলারদের মধ্যে চরম হতাশা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) খুচরা সার ডিলার লাইসেন্সধারীরা শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
ডিলাররা জানান, ২০০৯ সালের সার নীতিমালার আওতায় দীর্ঘদিন সৎ, দক্ষ ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তারা। নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে সারা দেশের প্রায় ৪৫ হাজার খুচরা ডিলার পরিবার জীবিকা হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে। খুচরা সার ডিলারদের
সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোঃ আবু সুলাইমান হোসেন মোঃ আমিনুর রহমান, মোঃ আশরাফুজ্জামান (মধু), সেক্রেটারী মোঃ আবুল কালাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক
ফয়সাল হাসান (আলভী), ডিলার গৌতম কুমার মন্ডল, এস.কে কামরুজ্জামান
মোঃ ইমরান হোসাইন অভিযোগ প্রমূখ জানান, স্বল্প লাভে দ্রুততম সময়ে কৃষকের দোর গোড়ায় সার পৌঁছে দেওয়া, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সুবিধা নিশ্চিত করা—এসব ক্ষেত্রে খুচরা ডিলাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। অনেক সময় কৃষকদের বাকিতে সার দেওয়ার মতো সহায়তা তারা করে থাকেন, যা অন্য মাধ্যমে সম্ভব নয়। ডিলাররা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, শুধুমাত্র বিসিআইসি ও বিএডিসি ডিলারের মাধ্যমে সার বিতরণ হলে প্রান্তিক কৃষকরা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং সার বিতরণ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে। খুচরা ডিলারদের বাদ দিলে স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে বলেও তারা জানান। শ্যামনগর উপজেলাধীন ১০৮ জন খুচরা সার ডিলারসহ সারা দেশের ডিলারদের লাইসেন্স বহাল রাখার জন্য সরকারের প্রতি জরুরি পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে তারা সতর্ক করে বলেন—দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলন-কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন। লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি দ্রুত বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানান।
নিজস্ব প্রতিনিধি।
ব্লু ইকোনমি এ্যান্ড ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস প্রকল্পের আওতায় ইকোসিস্টেম কার্যক্রম বিষয়ক যুব কর্মশালা ও বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কমিউনিটি ডেভলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) এর আয়োজনে ও অক্সফাম বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ান এইড এর সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার ১৯ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে যুব কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালা শেষে ১১৫ নং ঝুরঝুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফলের চারা রোপন করা হয়।
কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) এর প্রজেক্ট অফিসার মোঃ রাসেল আমিন এর সভাপতিত্বে উক্ত কর্মশালায় অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আহসান হাবীব।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কোডেক বিডফরসিজে প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক সোহরাব হোসেন সহ উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন থেকে আসা ২০ জন যুব সেচ্ছাসেবক।
আপনার মতামত লিখুন